19>|| দক্ষিণেশ্বরে ও এবার রামকৃষ্ণ মঠ।
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন::--
দক্ষিনেশ্বরের মঠ নিয়ে দেশের 273 তম কেন্দ্র এবং বিশ্বের 326 তম শাখা কেন্দ্র হচ্ছে এই দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ মঠ।
রামকৃষ্ণ ভাবান্দোলনে দক্ষিণেশ্বরের সংযোজন হল এক অভূতপূর্ব সংযোজন।
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ, এহেন সংযোজনকে সামগ্রিক ভাবে
"রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সার্কিট" হিসাবে বর্ননা করেন।
তিনি জানান , সার্কিটের শুরু স্বামী বিবেকানন্দের বসতবাড়ি থেকে। এর পরে কথামৃত ভবন, বলরাম মন্দির,বাগবাজার মায়ের বাড়ি, কাশিপুর মঠ, বরাহনগর মঠ, আলমবাজার ও দক্ষিণেশ্বর মঠ এবং সর্বশেষে বেলুড় মঠ। (
দক্ষিনেশ্বরের মঠে এখন পর্যন্ত 10 কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আগামী দু- বছরের মধ্যে দোতলা মন্দির তৈরির কাজ শেষ হবে।
একতালায় থাকবে বড় হলঘর, দোতলায় শ্রী রামকৃষ্ণের মর্মর মূর্তি-সহ মন্দির।
আনন্দ বাজার পত্রিকা কলকাতা 14/09/2023 বৃহস্পতিবার।
{★★রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন গতবৎসর অর্থাৎ 2022 তে 125 বৎসর পূর্ন হয়েছে।
★★"মানুষের অন্তর্নিহিত পূর্নতার বিকাশই হল শিক্ষা", বলতেন স্বামী বিবেকানন্দ।
তাঁর সেই ভাবনাকে রূপ দেওয়ার কাজে ব্রতী রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন,গত বৎসর 125 বৎসর পূর্ন হয়েছে সঙ্ঘের।}■■■
ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব প্রায় 30 বৎসর ছিলেন দক্ষিনেস্বরের
রানী রাসমণির মন্দিরে।
এবার এই দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুরের নামাঙ্কিত
মঠ গড়ে উঠবে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বয়ংসম্পূর্ণ শাখা কেন্দ্র " রামকৃষ্ণ মঠ, দক্ষিণেশ্বর"।
দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের পিছন দিকে জননী সারদা সরণিতে দোতলা একটি বাড়ি 2010 সালে বেলুড় মঠকে দান করেছিলেন চণ্ডীদাস বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি । তাঁর মৃত্যুর পরে মঠ বাড়িটি অধিগ্রহণ করে এবং সেখানে সন্ন্যাসীদের সাধন-ভজনের ব্যবস্থা করা হয়।
কিন্তু রামকৃষ্ণ ভাবান্দোলনের মানচিত্রে একটি "সার্কিট" সম্পুর্ন করতে দক্ষিনেশ্বরে
মঠ তৈরির পরিকল্পনা করেন কর্তৃপক্ষ।
সেই মতো 2018 সালে ওই বাড়ি সংলগ্ন জমি প্রায় সাড়ে 6 কোটি টাকা দিয়ে কেন হয়। এর পরে দেবাশীস গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি নিজের পৈতৃক বাড়িটি দান করেন মঠকে। পাশাপাশি আরও কিছু জমি বাড়ি কেনা হয়।ওই সমস্ত বাড়ি সংস্কার করে, রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান কার্যালয়ের তত্বাবধানে প্রথমে একটি উপকেন্দ্র তৈরি করা হয়। সেখান থেকেই পূর্ণাঙ্গ মঠ তৈরির পদক্ষেপ শুরু হয়।
13/09/2023 বুধবার স্বামী অদ্বৈতানন্দের জম্নতিথিতে দক্ষিনেশ্বরের মঠে প্রস্তাবিত শ্রী রামকৃষ্ণ মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ।
পূজা-অর্চনার মধ্যে দিয়ে সেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উপস্থিত ছিলেন মঠ ও মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বামী
গিরিশানন্দ , সাধারণ সম্পাদক স্বামী
সুবীরানন্দ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রানন্দ ও স্বামী বোধসরানন্দ।
ছিলেন ব্যারাকপুরের নগরপাল আলোক রাজোরিয়া ও কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা।
এদিন স্বামী সুবীরানন্দ বলেন,
"রামকৃষ্ণ ভাবান্দোলনে দক্ষিণেশ্বর ও আলমবাজার হল অভূতপূর্ব সংযোজন।
যেটিকে সামগ্রিক ভাবে বলা চলে রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সার্কিট" তিনি জানান , সার্কিটের শুরু স্বামী বিবেকানন্দের বসতবাড়ি থেকে। এর পরে কথামৃত ভবন,
বলরাম মন্দির, বাগবাজার মায়ের বাড়ি, কাশিপুর মঠ, বরাহনগর মঠ, আলমবাজার ও দক্ষিণেশ্বর মঠ এবং সর্বশেষে বেলুড় মঠ।
এদিন সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন, 01/10/2023 এর 1 অক্টোবর থেকে দক্ষিণেশ্বর রামকৃষ্ণ মঠ স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখা কেন্দ্র হিসাবে কাজ শুরু করবে। যার প্রথম অধ্যক্ষ করা হয়েছে স্বামী ঈশব্রতানন্দকে। তিনি আরও জানান , দেশের ২৭৩তম কেন্দ্র এবং বিশ্বের ৩২৬তম শাখা কেন্দ্র হচ্ছে এই দক্ষিণেশ্বর মঠ।
====================_
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন হল একটি ভারতীয় ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠন রামকৃষ্ণ আন্দোলন বা বেদান্ত আন্দোলন নামক বিশ্বব্যাপী আধ্যাত্মিক আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা। এটি একটি জনকল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ১৮৯৭ সালের ১ মে রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। মিশন স্বাস্থ্য পরিষেবা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণকার্য, গ্রামোন্নয়ন, আদিবাসী কল্যাণ, বুনিয়াদি ও উচ্চশিক্ষা এবং সংস্কৃতির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণকরেছে। এটি শতাধিক সংঘবদ্ধ সন্ন্যাসী ও সহস্রাধিক গৃহস্থ শিষ্যের একটি যৌথ উদ্যোগ। রামকৃষ্ণ মিশন কর্মযোগের ভিত্তিতে কাজকর্ম চালায়।
"আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধিতায় চ" — "আত্মার মোক্ষ ও জগতের কল্যাণের নিমিত্ত"
সংস্কৃত: आत्मनो मोक्षार्थं जगद्धिताय च
১ মে ১৮৯৭; ১২৬ বছর আগে কলকাতা,
উদ্দেশ্য::--শিক্ষাবিস্তার, মানবসেবা, ধর্মীয় গবেষণা, আধ্যাত্মিকতা ইত্যাদি
সদরদপ্তর বেলুড় মঠ, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
অবস্থান::--
স্থানাঙ্ক:--২২.৩৭° উত্তর ৮৮.২১° পূর্ব
সংঘাধ্যক্ষ
স্বামী স্মরণান্দজী
রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান কার্যালয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার নিকটবর্তী হাওড়া জেলায় বেলুর মঠে অবস্থিত। এই সংগঠন প্রাচীন হিন্দু দর্শন বেদান্তের অনুগামী। এটি সন্ন্যাসী সংগঠন রামকৃষ্ণ মঠ কর্তৃক অনুমোদিত। রামকৃষ্ণ মঠের সদস্যরা রামকৃষ্ণ মিশনেরও সদস্য।
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ গণ
স্বামী বিবেকানন্দ (১৮৯৭–১৯০২) (সাধারণ অধ্যক্ষ)
১৯০১ সালের পর ‘সাধারণ অধ্যক্ষ’ শব্দবন্ধটি পরিত্যক্ত হয় এবং ‘অধ্যক্ষ’ শব্দটি গৃহীত হয়।
স্বামী ব্রহ্মানন্দ (১৯০১-১৯২২)
স্বামী শিবানন্দ (১৯২২-১৯৩৪)
স্বামী অখণ্ডানন্দ (১৯৩৪-১৯৩৭)
স্বামী বিজ্ঞানানন্দ (১৯৩৭-১৯৩৮)
স্বামী শুদ্ধানন্দ (১৯৩৮-১৯৩৮)
স্বামী বিরজানন্দ (১৯৩৮-১৯৫১)
স্বামী শঙ্করানন্দ (১৯৫১-১৯৬২)
স্বামী বিশুদ্ধানন্দ (১৯৬২-১৯৬২)
স্বামী মাধবানন্দ (১৯৬২-১৯৬৫)
স্বামী বীরেশ্বরানন্দ (১৯৬৬-১৯৮৫)
স্বামী গম্ভীরানন্দ (১৯৮৫-১৯৮৮)
স্বামী ভূতেশানন্দ (১৯৮৯-১৯৯৮)
স্বামী রঙ্গনাথানন্দ (১৯৯৮-২০০৫)
স্বামী গহনানন্দ (২০০৫-২০০৭)
স্বামী আত্মস্থানন্দ (২০০৭–২০১৭)
স্বামী স্মরণানন্দ (২০১৭–)
=========================
No comments:
Post a Comment