Saturday, November 15, 2025

36>|| ★★ बहुत जरूरी सत्य वचन★★

   36>|| ★★ बहुत जरूरी सत्य  वचन★★


             || सत्य  वचन  ||


इस दुनिया में लगभग सभी लोग संशय तथा संदेह और असंशय तथा निःसंदेह के बीच तनाव के कारण बेचैन रहते हैं।


संदेह से हमेशा बेचैनी, असंतोष, सदा दुःख,  अज्ञानता उत्पन्न होती है।

और निःसंदेह से शांति, संतोष, सच्चा खुश,

शाश्वत ज्ञान प्राप्त होता है।

    <-----आद्यनाथ राय चौधरी---->


【【【|| সংশয় এবং অসংশয় ||


এ-জগতে সংশয় ও অসংশয় ,তথা

সন্দেহ ও নিঃসন্দেহর টানাপোড়েনে প্রায় সব মানুষের মন দোলায়িত হয়।

সংশয় থেকে আসে অশান্তি, অতৃপ্ত , দুঃখ, চির অজ্ঞান; 

আর অসংশয় থেকে আসে শান্তি,তৃপ্তি ও সুখ, প্রকৃত জ্ঞান।】】】

=================



======================




             थोड़ा ध्यान से पड़े।

संभव होतो सोम बार करे ।

प्रत्येक सोमवार करे तो बहुत अच्छे।

21 सोमवार करे तो और अच्छे।

मै तो बोलेंगे लगातार 21 सोमवार करे।


फिर 21 दिन बाद ।(21 days off)


फिर 21 दिन पाठ करे।(again 21 days pray)



 बहुत इंपॉर्टेंट तीन मंत्र बहुत सावधानी से 

निर्देश अनुसार जप करना है।

इस मंत्र कोई ना देखे,  ना कोई सुने।

ऐसे तो हर किताब में इस मंत्र लिखे हुए है।

किंतु इस लिखको कोई ना देखे नहीं मंत्र पाठ करते कोई ना सुने।


प्रत्येक मंत्र की शक्ति अलग अलग।

अतः एकसाथ में तीन मंत्र नहीं करना है।

प्रत्येक  मंत्र 21बार करनेकी अंत में एकबार प्रार्थना करना है।

    ★★ॐ हनुमते नमः।

     ★★ॐ हं हनुमते नमः।

     ★★ॐ श्री बज्र हनुमते नमः।

===================


★★"ॐ हनुमते नमः।" इस मंत्र की 21 बार जप के बाद में एक बार :----

  प्रार्थना करे::----

ॐ नमो हनुमते  रुद्रावताराय 

सर्व शत्रु संहारणाय,

सर्व रोग हराय,

सर्व वशीकरणाय,

राम दूताय स्वाहा।


एक बार इस प्रार्थना की अंत में थोड़ा भाखड़ा सिंदूर हनुमानजिकी चरण में अर्पित करे(हनुमान जीकी फोटो होनेसेभी कोई दिक्कत नहीं)

●●●●●●●●●●●●●●●

★★★★★★★★★★★★★★★

●●●●●●●●●●●●●●●


★★"ॐ हं हनुमते नमः।" इस मंत्र की भी 

  21 बार जप के बाद में एक बार :----

  प्रार्थना करे::----

ॐ नमो हनुमते  रुद्रावताराय 

सर्व शत्रु संहारणाय,

सर्व रोग हराय,

सर्व वशीकरणाय,

राम दूताय स्वाहा।


एक बार इस प्रार्थना की अंत में थोड़ा भाखड़ा सिंदूर हनुमानजिकी चरण में अर्पित करे(हनुमान जीकी फोटो होनेसेभी कोई दिक्कत नहीं)

===================

★★★★★★★★★★★★★★

■■■■■■■■■■■■■■■■


★★"ॐ श्री बज्र हनुमते नमः।"

इस मंत्र की भी 21 बार जप के बाद में एक बार :----

  प्रार्थना करे::

ॐ नमो हनुमते  रुद्रावताराय 

सर्व शत्रु संहारणाय,

सर्व रोग हराय,

सर्व वशीकरणाय,

राम दूताय स्वाहा।


एक बार इस प्रार्थना की अंत में थोड़ा भाखड़ा सिंदूर हनुमानजिकी चरण में अर्पित करे(हनुमान जीकी फोटो होनेसेभी कोई दिक्कत नहीं)

■■■■■■■■■■■■■■■■

===================

मंत्र जप 21x 3

एवं प्रार्थना तीन बार होंगे।


सारे मंत्र पाठ एवं प्रार्थना की अंत में हनुमान जी की चरण से उस भाखड़ा सिंदूर की टीका लीजिए। घर की सभीको  सिंदूर की टीका दीजिए।

=====================


Every day morning 


पूर्व तरफ मुंह करके इस प्रार्थना प्रत्येक दिन करे।

ऐसा तो ----

महा रोग शोक तथा  सर्व पाप से मुक्ति के लिए

प्रति सोमवार दिन जप करना उचित।


मै तो बोलूं कि प्रत्येक दिन करे----

 

आशुतोष शशाँक शेखर,

चन्द्र मौली चिदंबरा,

कोटि कोटि प्रणाम शम्भू,

कोटि नमन दिगम्बरा ॥


निर्विकार ओमकार अविनाशी,

तुम्ही देवाधि देव,

जगत सर्जक प्रलय करता,

शिवम सत्यम सुंदरा ॥


निरंकार स्वरूप कालेश्वर,

महा योगीश्वरा,

दयानिधि दानिश्वर जय,

जटाधार अभयंकरा ॥


शूल पानी त्रिशूल धारी,

औगड़ी बाघम्बरी,

जय महेश त्रिलोचनाय,

विश्वनाथ विशम्भरा ॥


नाथ नागेश्वर हरो हर,

पाप साप अभिशाप तम,

महादेव महान भोले,

सदा शिव शिव संकरा ॥


जगत पति अनुरकती भक्ति,

सदैव तेरे चरण हो,

क्षमा हो अपराध सब,

जय जयति जगदीश्वरा ॥


जनम जीवन जगत का,

संताप ताप मिटे सभी,

ओम नमः शिवाय मन,

जपता रहे पञ्चाक्षरा ॥


आशुतोष शशाँक शेखर,

चन्द्र मौली चिदंबरा,

कोटि कोटि प्रणाम शम्भू,

कोटि नमन दिगम्बरा ॥

कोटि नमन दिगम्बरा..

कोटि नमन दिगम्बरा..

कोटि नमन दिगम्बरा..

==================

मंगलम भगवान् विष्णु

मंगलम गरुड़ध्वजः ||

मंगलम पुन्डरी काक्षो

मंगलायतनो हरि ||


सर्व मंगल मांग्लयै शिवे सर्वार्थ साधिके |

शरण्ये त्रयम्बके गौरी नारायणी नमोस्तुते ||


त्वमेव माता च पिता त्वमेव,

त्वमेव बंधू च सखा त्वमेव,

त्वमेव विद्या द्रविणं त्वमेव,

त्वमेव सर्वं मम देव देव ||

=====================


अगर आप मेरा इस निर्देश ठीक ठाक पालन करने में समर्थ हुआ तथा 

निर्देश अनुसार मंत्र पाठ,प्रार्थना करे सके तो

मै उम्मीद करते है कि आपकी सारे बाधाएं दूर होंगे एवं सारे काम अच्छे से सम्पन्न होंगे,

आगे की बहुत काम आप आरामसे करनेमे समर्थ होंगे।

======================



35>|| আমাদের শ্রীশ্রীমা ||স্বামী গৌতমানন্দ

 

   35>|| আমাদের শ্রীশ্রীমা ||স্বামী গৌতমানন্দ।
পৃষ্ঠা::----199
শ্রীশ্রীমা স্বয়ং শব্দব্রহ্ম: ব্রহ্মাণ্ডপ্রসবিনী। অথচ সাধারণ মহিলার মতো কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং বলতেন, "ঠাকুরের কাজ করবে, আর সাধন-ভজনও করবে: কিছু কিছু কাজ করলে মনে বাজে চিন্তা আসে না। একাকী বসে থাকলে অনেকরকম চিন্তা আসতে পারে।” ভোর তিনটে থেকে শ্রীশ্রীমায়ের দিন শুরু হত। গঙ্গাস্নান করে জপধ্যান করতেন। মায়ের বিন্দুমাত্রও অবসর ছিল না। সর্বদাই তাঁর মন ঈশ্বরচিন্তায় ডুবে থাকত। তবুও অন্যান্যদের কাছে উদাহরণস্বরূপ একটি আদর্শ প্রতিস্থাপন করতে তিনি বলতেন, এক মুহূর্তও কাজ ছেড়ে থাকতে নেই, কারণ অলস মনে যত কুচিন্তার উদয় হয়। শ্রীশ্রীমা খুব ভাল রাঁধতে পারতেন। পান সাজা, মা কালীর মালা গাঁথা সব কাজই অতি অনায়াসে সুচারুভাবে করতেন।
সকলের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের প্রতি মায়ের সযত্ন দৃষ্টি ছিল তাঁর শাশুড়ি-মা, শ্রীরামকৃষ্ণ এবং আগত ভক্তশিষ্য সবার ওপর। তিনি খুব ভাল সাঁতার জানতেন, জলে তাঁর যেমন ভয় ছিল না, তেমনই সংসারে কেউ হাবুডুবু খাক তাও মা চাইতেন না। পড়তে-লিখতে শিখেছিলেন; যখন অধিকাংশ মেয়েই লেখাপড়া জানতেন না। শ্রীশ্রীমা তাদের জন্যও একটি অনুসরণীয় আদর্শ স্থাপন করেছিলেন। খুব সুন্দর গানও গাইতেন; একদিন একটু জোরে গান গাওয়ায় শ্রীরামকৃষ্ণ শুনতে পেয়ে বলেছিলেন, "তুমি তো বেশ গাও। তা বেশি উঁচু গলায় গেও না, আপনমনে নিজেকে শোনাবার জপধ্যান ও প্রার্থনায় তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। সব মতো গুনগুন করে গাইবে।" আর অবশ্যই মেয়ের কর্তব্য এগুলি শিক্ষা করা, বিশেষ করে পবিত্রতা, সহানুভূতি, সুরক্ষা, আত্মশক্তি, সেবা, জপ, ধ্যান প্রভৃতির অনুশীলন। নারীদের উচিত নিজেদের দৈহিক দিক থেকে সক্ষম রাখা। শ্রীশ্রীমা পঞ্চাশ পেরিয়েও একাই আট কিলো আটা ঠেসে রুটি গড়তে পারতেন। তিনি বলতেন, ছেলেমেয়েদের ইংরেজি শেখা উচিত, কারণ ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশ থেকে ঠাকুরের কত শিষ্য আসবে, তাদেরকে শ্রীরামকৃষ্ণের কথা, কামারপুকুর, জয়রামবাটা, বেলুড় মঠ প্রভৃতি স্থানের পবিত্রতা ও মাহাত্ম্যের কথা, আমাদের সংস্কৃতি, দর্শন সব ব্যাখ্যা করে বলতে হবে। এটি তাঁর দূরদর্শিতার এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। এসব কথা মা বলেছেন ১৯১০-১১ সালে। আর এখন সেসমস্ত সত্যিই ঘটছে। স্বামীজীও নিজের মাতৃভাষা, ও সংস্কৃত ভাষা চর্চার সঙ্গে সঙ্গে ইংরেজি শেখার উপরও জোর দিতেন, যেহেতু ইংরেজি আন্তর্জাতিক ভাষা।
শ্রীশ্রীমা নারী-স্বাধীনতায় উৎসাহ দিতেন। শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি গভীর প্রেমে তিনি তাঁর প্রতিটি বাক্য মেনে চলতেন। কিন্তু তিনি ছিলেন স্বাধীন, কখনও কারও কাছে মাথা নোয়াননি, মেয়েদেরও তিনি সাহস, আত্মবিশ্বাস অবলম্বন করতে উৎসাহ জোগাতেন। একবার তেলোভেলোর মাঠ পার হওয়ার সময় শ্রীশ্রীমা ডাকাতের সম্মুখীন হন,
 
সেসময় তিনি বয়সে তরুণী। তিনি বিচলিত না। হয়ে স্থিরভাবে ডাকাতের মুখোমুখি হয়ে বললেন, “বাবা, আমার সঙ্গীরা আমাকে ফেলে গেছে, আমি বোধহয় পথ ভুলেছি; তুমি আমাকে সঙ্গে করে যদি তাদের কাছে পৌঁছে দাও।” ইতোমধ্যে ডাকাতের স্ত্রীও এসেছে। শ্রীশ্রীমা তার হাত ধরে বললেন, “মা, আমি তোমার মেয়ে সারদা, সঙ্গীরা ফেলে যাওয়ায় বিষম বিপদে পড়েছিলুম; ভাগ্যে বাবা ও তুমি এসে পড়লে, নইলে কি করতুম বলতে পারি নে।” এইরকম সাহস প্রত্যেকের থাকা উচিত, যা আসে পবিত্রতা ও ঈশ্বরে বিশ্বাস থেকে এবং আমরা নিঃসঙ্গ নই, ঈশ্বর সর্বদা সঙ্গে রয়েছেন-এটি নিত্য স্মরণে রেখে।
একবার শ্রীশ্রীমা জয়রামবাটী থেকে বিষ্ণুপুর যাত্রা করেছেন। পথে একটি বন পেরোতে হয়, সেখানে ডাকাতের ভয়। পালকিতে বসে মায়ের পা ধরে গেছে, তাই মা দোকান দেখতে পেয়ে একটু তেল আনতে বললেন। সেইসময় মাকুদির জলতেষ্টা পাওয়ায় তিনিও জল খেতে চাইলেন। দোকানের সামনে ত্রিশ-বত্রিশজন মানুষের জটলা দেখে আর সকলে যখন ভয় পেলেন, মা তখন নির্বিকার বললেন পুকুরে গিয়ে জল খেয়ে আসতে। কোনও পরিস্থিতিতেই মা সাহস হারাতেন না।
অত্যাধুনিক নগরে এবং শহরেও কোনও না কোনও কুসংস্কার থাকেই। যেমন, বিধবারা মস্তক মুণ্ডন করবেন, তাঁরা কোনও অলংকার পরবেন না, বা পাড়যুক্ত শাড়ি পরবেন না। শ্রীরামকৃষ্ণের মহাসমাধির পর শ্রীশ্রীমা তাঁর হাতের বালা খুলে ফেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর সামনে আবির্ভূত হয়ে বললেন, “আমি কি মরেছি যে, তুমি এয়োস্ত্রীর জিনিস হাত থেকে খুলে ফেলছ?” শ্রীশ্রীমায়ের হাতের বালা আর খোলা হল না, লালপাড় শাড়ি পরাও অব্যাহত রইল। তিনি বলতেন, “ঠাকুর আমাকে রেখে গেছেন ঈশ্বরের মাতৃভাব জগৎসংসারে প্রচারের জন্য।” শ্রীশ্রীমাকে দেখে নারীদের মধ্যে অর্থহীন কুসংস্কার এবং পাপের ভয়, যার সঙ্গে আধ্যাত্মিক জীবনের কোনও সম্পর্ক নেই তা ত্যাগ করার সাহস বিকশিত হয়ে উঠছে।
শ্রীশ্রীমা শান্তির উৎস। একটি বালবিধবা মেয়ে তাঁর কাছে এসেছে, শোকে দিশেহারা। মা তাকে নানাভাবে শান্ত করলেন, শেষে বললেন, “কচি বয়সে বিধবা হয়েছ, তাতে কি হয়েছে? ভগবান তোমাকে আজীবন একটি পুরুষের দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়েছেন। অল্পবয়সে বিধবা হয়েছ, এ তো মহা সৌভাগ্য!” কার কখন, কী কারণে মৃত্যু হবে, কেউই বলতে পারে না। মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী তার আপন কর্মফল। অপরের কর্মের এতে কোনও ভূমিকা নেই। ঈশ্বরের ইচ্ছায় মানুষের জন্ম হয়, ঠিক সেভাবে তাঁরই ইচ্ছায় মানুষের মৃত্যু হয়। বৈধব্যও বহু শুভকর্মের ফলস্বরূপ হতে পারে। শ্রীরামকৃষ্ণের ভাইঝি লক্ষ্মীর যখন বিয়ে হয়, তিনি বলেছিলেন, “ও বিধবা হবে।” পাত্র নির্বাচন ঠিকঠাক হয়নি। লক্ষ্মী শীতলা দেবীর অংশ। দেবীর বিবাহ কোনও সাধারণ মানুষের সঙ্গে হতে পারে না। তাঁর বৈধব্য কোনও পাপের ফলে নয়, বরঞ্চ স্বামীর তুলনায় তাঁর মহত্তর সত্তার কারণে হয়েছিল।
মেয়েদের শ্রীশ্রীমা উপদেশ দিতেন, "মেয়েদের আসল অলংকার পবিত্রতা ও দিব্য ভাব। অতএব আপন পবিত্রতা রক্ষা করে চলবে। পরিবার, স্বামী, সন্তানের আস্থাভাজন হয়ে থাকতে হয়। পবিত্রতার চেয়ে মূল্যবান অলংকার আর হয় না। নিজের
২০০
========================
পরের পৃষ্ঠা 201---->

মধ্যে মাতৃত্বের প্রকাশ ঘটাও। এটাই তোমার একমাত্র কাজ। সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করো।” শ্রীশ্রীমায়ের মতো সরল অথচ মহিমময়ী আর কাউকে আমরা দেখি না। সুস্বাস্থ্য, আধ্যাত্মিক চিন্তা ও পবিত্র চরিত্র-এই হল সৌন্দর্যের সংজ্ঞা। যখন মনে বিরাজ করে মহৎ চিন্তারাশি এবং সেইসঙ্গে প্রত্যেকের প্রতি হৃদয় থেকে উৎসারিত হয় মাতৃস্নেহ, এর থেকে বেশি সৌন্দর্য আর কী হতে পারে?
ভোগবাদী সমাজে শ্রীশ্রীমায়ের ধারণা সর্বদা প্রাসঙ্গিক, যেহেতু তিনি সমস্যার মূল দেখেন। তিনি শিখিয়েছেন, যা আছে তাই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়, জিনিসপত্র ব্যবহার করার সময় সাশ্রয়ের দিকটা দেখতে হয়। আনাজপাতি কিনে এনে ঝুড়িটা ফেলে দিতে নেই। কার্পণ্যও নয়, আবার বেহিসাবি খরচও নয়, এই দুইয়ের মাঝামাঝি অর্থাৎ মধ্যম পন্থা অবলম্বন। যখন প্রয়োজন, কেবল তখনই খরচ করতে হবে। শ্রীশ্রীমা বলতেন, "যার যেটি প্রাপ্য সেটি তাকে দিতে হয়। যা মানুষে খায়, তা গরুকে দিতে নেই; যা গরুতে খায়, তা কুকুরকে দিতে নেই; গরু ও কুকুরে না খেলে পুকুরে ফেললে মাছ খায় তবু নষ্ট করতে নেই।” মা খুবই সাশ্রয়ী ছিলেন, কোনওকিছু অপচয় করতেন না। একজন ঘর ঝাঁট দিয়ে ঝাঁটাটি ছুঁড়ে ফেললে মা বলেছিলেন, “ও কি গো, কাজটি হয়ে গেল, আর অমনি ওটি অশ্রদ্ধা করে ছুঁড়ে দিলে? ছুঁড়ে রাখতেও যতক্ষণ, আস্তে ধীর হয়ে রাখতেও ততক্ষণ। ছোট জিনিস বলে কি তুচ্ছবোধ করতে আছে? যাকে রাখ, সেই রাখে। আবার তো ওটি দরকার হবে? তাছাড়া, এ সংসারে ওটিও তো একটা অঙ্গ। সেদিক দিয়েও তো ওর একটা সম্মান আছে। যার যা সম্মান, তাকে সেটুকু দিতে হয়।
ঝাঁটাটিকেও মান্য করে রাখতে হয়। সামান্য কাজটিও শ্রদ্ধার সঙ্গে করতে হয়।"
শ্রীশ্রীমায়ের বেশ কৌতুকবোধ ছিল। আমাদের জীবনেও এর প্রয়োগ শিখতে হবে। সাংসারিক ঝড়ঝাপটার দিনেও আমাদের হাসিখুশি থাকা দরকার। নিজেকে নিয়ে হাসতে শেখা উচিত। একবার নিবেদিতা গভীর শ্রদ্ধা সহ শ্রীশ্রীমাকে বললেন, "মাতাদেবী, আপনি হন আমাদের কালী।” ক্রিস্টিনও ইংরেজিতে একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। কথাগুলি শুনে মা হাসতে হাসতে বললেন, "না, বাপু, আমি কালীটালী হতে পারব না। জিব বার করে থাকতে হবে তাহলে।”১০ লীলাবসানের কিছুকাল আগে, খুব অসুস্থ অবস্থায় শ্রীশ্রীমাকে পথ্য হিসাবে কেবল বার্লি খেয়ে থাকতে হচ্ছিল। আগে তিনি সামান্য ফলমিষ্টি যা কিছু খেতেন, তার অবশিষ্টাংশ প্রসাদরূপে ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হত। যখন কেবল বার্লি-জল খেয়ে থাকতেন, তখন মা বলতেন, “কি গো, আজ যে প্রসাদে ভক্তি নেই?"
এমন একটি সর্বাঙ্গসুন্দর কল্যাণময় জীবন অনুধ্যান করলে আমাদের সর্বতোমুখী কল্যা হবে। আমাদের বিনম্র প্রার্থনা, "মা, আমাদে মানুষ করো।"

---------------------
                  সহায়ক গ্রন্থ
১। স্বামী গম্ভীরানন্দ, শ্রীমা সারদা দেবী, উে
কার্যালয়, কলকাতা, ২০১২
প্রবন্ধটি 'Vedanta Kesari' পত্রিকার জা ২০০২ সংখ্যায় প্রকাশিত 'The Holy Mo প্রবন্ধের সুমনা সাহা কৃত অনুবাদ।
পৃষ্ঠা ২০১
======================
        (সংগ্রহীত)
      নিবোধত--39 বর্ষ,  সংখ্যা--3
      সেপ্টেম্বর----অক্টোবর
      পূজাসংখ্যা--2025

Friday, November 14, 2025

34>|| মাতৃপ্রসঙ্গ ||স্বামী সুহিতানন্দ

     34> ||  মাতৃপ্রসঙ্গ ||স্বামী সুহিতানন্দ

স্বামী সুহিতানন্দ

পরমপূজনীয় সহ সঙ্ঘাধ্যক্ষ, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন

এ কটি ব্যক্তিগত ঘটনা দিয়ে শুরু করি। ১৯৬৪ সাল, কাশীধামে স্বামী প্রেমেশানন্দ মহারাজ আছেন। তখন তিনি অন্ধ এবং অথর্ব। দিনরাত তাঁকে সেবা করতে হয়। আমিও তাঁর সেবকমণ্ডলীর মধ্যে একজন ছিলাম। রাত্রি দেড়টার সময় তাঁর সেবা করার জন্য গিয়েছি। নিজের পরিচয় দিয়ে আমি তাঁকে একটা প্রশ্ন করলাম-

আচ্ছা মহারাজ, ঠিক এইসময় আপনি কী ভাবছেন? উনি সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিলেন-সর্বব্যাপী শ্রীরামকৃষ্ণ।

তা আমি বললাম-মহারাজ, শ্রীরামকৃষ্ণ কী তা বুঝলাম। সর্বব্যাপী চৈতন্য বা ব্রহ্ম এটাও বুঝতে পারি; কিন্তু বুঝতে পারছি না যে সর্বব্যাপী এবং শ্রীরামকৃষ্ণ-এটা কীরকম করে হয়? উনি উত্তর দিলেন-হচ্ছে তো! এই বলে চুপ করে গেলেন। আমি আর কোনও প্রশ্ন করতে সাহস করলাম না। কিছুকাল পর আশুতোষ মিত্রের লেখা 'শ্রীমা' বইটি পড়ছিলাম। সেখানে দেখলাম, মা বলছেন, “একবার দেখি কী তা জান? দেখি না, ঠাকুর সব হয়ে রয়েছেন। যেদিকে দেখি, সেই দিকেই ঠাকুর। কানাও ঠাকুর, খোঁড়াও ঠাকুর, ঠাকুর ছাড়া আর কেউ নেই। একটা ডেয়ো পিঁপড়ে যাচ্ছে, রাধু তাকে মারবে-দেখলাম কি তা জান? দেখলাম সেটা পিঁপড়ে তো নয়, ঠাকুর। ঠাকুরের সেই নাক, কান, মুখ, চোখ-সব সেই। রাধিকে আটকালুম। ভাবলুম-তাই তো, সবই যে ঠাকুরের। আমি আর কী করতে পারছি। কজনকে দেখতে পাচ্ছি? তিনি যে সকলের ভার আমার উপর দিয়েছেন। সকলকে দেখতে পারতুম, তবে তো হত!” মায়ের জীবনের ঘটনাগুলি যদি আমরা পর্যালোচনা করি, তাহলে দেখতে পাব এই সর্বব্যাপী শ্রীরামকৃষ্ণের সাধনাই তাঁর জীবনের মূল সুর।

২০২

======================

পৃষ্ঠা====203

দেওঘরের ঘটনা। আমি সেইসময় সেখানকার দায়িত্বে। একদিন ঘরে গিয়েছি, হঠাৎ টেলিফোন বেজে উঠল। টেলিফোনের অপরপ্রান্তে এক ভদ্রমহিলা, তাঁর সন্তান দেওঘর বিদ্যাপীঠে পড়ে।

তিনি ব্যাকুল হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "মহারাজ ও কেমন আছে?” বললাম, "ভাল আছে।" উনি বললেন, "আপনি ঠিক বলছেন? ভাল আছে?” আমি বললাম, "হ্যাঁ, আমি এই তো দেখে এলাম, ও ফুটবল খেলছে, গোলপোস্টে আছে। গোলকিপার হয়ে খেলছে।” তবু উনি বললেন, "ঠিক বলছেন?" দুবার বললেন, তারপর ফোন ছেড়ে দিলেন। আবার ফোন বেজে উঠল।

আমাদের ইনডোর হসপিটাল থেকে ফোন এসেছে, ওই ছেলেটির কমপাউন্ড ফ্র্যাকচার হয়ে গেছে, ওকে এখনই কলকাতার হাসপাতালে পাঠাতে হবে।

এরকমভাবেই সকল মা তাঁদের সন্তানের কষ্ট বুঝতে পারেন বা সন্তানের জন্য কষ্ট অনুভব করেন। দেশ-কালের গণ্ডি ছাড়িয়ে এই যে মাতৃত্ব, দুনিয়ার সব মায়েদের হৃদয়ের এই যে অনুরণন, এটিকে যদি সাকার বিগ্রহ রূপ দেওয়া যায়, তাহলে সেই রূপটিই হবেন আমাদের মা সারদা। প্রেমেশানন্দ মহারাজ লিখেছেন, "নিখিলমাতৃ-হৃদয়সাগর-মন্থনসুধামুরতি।" পৃথিবীর সব মাতৃত্বকে যদি একত্র করা যায়, সেই মাতৃত্বের প্রকাশ বা সাকার রূপ শ্রীশ্রীমাকে বলা যাবে।

ভগিনী নিবেদিতা বলেছেন: সত্যই ভগবানের অপূর্ব রচনাগুলি সবই নীরব। তা অজানিতে আমাদের জীবনের মধ্যে প্রবেশ করে-যেমন বাতাস, যেমন সূর্যের আলো, বাগানের মধুগন্ধ, গঙ্গার মাধুরী-এইসব নীরব জিনিসগুলি সব তোমারই মতো (মায়ের মতো)।

মায়ের কাছে দীক্ষা নিতে প্রভু মহারাজ গেছেন জয়রামবাটীতে। মা তখন পুরনো বাড়িতে দীক্ষা দিতেন। মহারাজ দক্ষিণ ভারত থেকে এসেছেন,

বাংলা জানেন না। পরে তাঁকে প্রশ্ন করা হল-"মায়ের কথা আপনি বুঝতে পারলেন কী করে?" উনি বললেন, "কী জানি। আমি যা বললাম মা বুঝলেন, আবার মাও যা বললেন আমি সবই বুঝতে পারলাম।" আরও আকর্ষণীয়ভাবে একথা বলেছেন গুরুদাস মহারাজ-অতুলানন্দ স্বামী। তিনি জাতিতে ডাচ। আমেরিকায় তিনি স্বামীজীর সংস্পর্শে আসেন এবং ভারতবর্ষে চলে এসে জীবন দিয়ে স্বামীজীর সেবা করেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল-"আপনি মায়ের সঙ্গে কী করে কথা বলেছিলেন দীক্ষার সময়?" তিনি বললেন অপূর্ব ভাষায়: "যখন শিশু মায়ের কোলে জন্ম নেয়, সে মায়ের সঙ্গে কোন ভাষাতে কথা বলে? আমিও ঠিক ওই ভাষাতেই মায়ের সঙ্গে কথা বলেছিলুম।"

মায়ের এই বিশ্বমাতৃত্বকে কীভাবে বুঝব? শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন, ঈশ্বরলাভ না হলে বোঝা যায় না যে স্ত্রীলোক কী বস্তু। সুতরাং শ্রীশ্রীমায়ের ভিতরে 'স্ত্রীভাবটি কী রূপে ছিল ঠাকুরই বুঝেছিলেন, স্বামীজীও কিছুটা বুঝেছিলেন। অনেক সাধক অনুভব করেন-তোতাপুরীর মতো-জলে মা, স্থলে মা, অন্তরিক্ষে মা-"ঘটে ঘটে বিরাজ করেন।” এই সর্বব্যাপী রূপটি কোনও কোনও ভাগ্যবান সাধক উপলব্ধি করে থাকেন।

প্রেমেশানন্দ মহারাজের মুখে আর একটি ঘটনা শুনেছিলাম। একবার তিনি জয়রামবাটী গিয়েছেন। মা ঠাকরুন পা মেলে বসে আছেন, মহারাজ গিয়ে

মাকে প্রণাম করলেন। মায়ের ঘোমটা টানা আছে, মুখটা দেখা যাচ্ছে না। উনি বাচ্চা ছেলের মতন ঘোমটার তলা দিয়ে মায়ের মুখখানি দেখার চেষ্টা করছেন। দেখছেন মায়ের দুটি চোখ যেন দুটো জ্বলন্ত টর্চ। মহারাজ মজা করে বলছিলেন, "মা বেটি এইরকম করেই সমাধিস্থা থাকতেন।” মায়ের মন সবসময় না জানি কোন উঁচুস্তরে থাকত! পতঞ্জলির যোগসূত্রে আছে, একে বলে 'ধর্মমেঘ সমাধি'।

২০৩

====================

পৃষ্ঠা--204


পৃষ্ঠা--204

যখন জগতের সবকিছু সাধকের করতলগত তখনও। তিনি জগতের ঐশ্বর্য থেকে সম্পূর্ণ নিস্পৃহ থাকেন। এই সমাধির নাম ধর্মমেঘ সমাধি। মা এইরকম একটা অবস্থায় থাকতেন। এইরকম ধর্মমেঘ অবস্থাতেই তাঁর প্রতিটি চলন, বলন, কথাবার্তা-যার দ্বারা জগতের কল্যাণ ছাড়া আর কিছুই হয় না।

সুহাসিনী দেবী একবার অনুযোগ করে মাকে বলেছিলেন, "আমরাও তো আপনার পেটে হইনি, তা বলে কি আমরা আপনার ছেলেমেয়ে নই?" শুনে মা বললেন, "কী বললে, আমার পেটে হওনি? তবে কার পেটে হয়েছ? আমার ছেলেমেয়ে নও? তবে কার ছেলেমেয়ে? আমি ছাড়া মা আর কেউ আছে নাকি? সব মেয়ের ভেতরেই আমি, সব মায়ের মধ্যেই আমি রয়েছি। যে যেখান থেকেই আসুক সব্বাই আমার ছেলেমেয়ে। এটা সত্যি সত্যি জানবে।"

শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীমা সম্পর্কে বলেছেন, "ও কি যে সে? ও আমার শক্তি।" বলেছেন, "ও সারদা, সরস্বতী, জ্ঞান দিতে এসেছে।" স্বামীজীও বলেছেন, "রামকৃষ্ণ পরমহংস ঈশ্বর ছিলেন কি মানুষ ছিলেন, যা হয় বলো... কিন্তু যার মায়ের উপর ভক্তি নাই, তাকে ধিক্কার দিও।"

স্বামীজী, বলরামবাবু, রাজা মহারাজ, বাবুরাম মহারাজ, নিরঞ্জন মহারাজ-এঁরা শ্রীরামকৃষ্ণের সময় থেকেই ঈশ্বরজ্ঞানে মাকে হহৃদয়ের ভক্তি, ভালবাসা দিয়েছেন। বলরামবাবুই হোন বা গিরিশবাবু, প্রত্যেকেই সমাজে লব্ধপ্রতিষ্ঠ। প্রায় সকলেই সচ্ছল পরিবারের ছেলে এবং উচ্চশিক্ষিত। এমন মানুষ তাঁরা কেউই নন যে, মা-ঠাকরুন শুধু পরমহংসদেবের স্ত্রী বলেই তাঁরা মনপ্রাণ তাঁর পায়ে সঁপে দেবেন। মা তাঁর নিজস্ব মর্যাদায়, তাঁর সাধনাতে, তাঁর পবিত্রতাতে, তাঁর সিদ্ধিতে-এমন একটা পর্যায়ে ছিলেন যে, যখন শ্রীরামকৃষ্ণ

স্কুলদেহে নেই, মায়ের সঙ্গে তাঁদের কোনও প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই, তবু মাকে না দেখতে পেয়েও তাঁরা হৃদয়ের ভক্তি মায়ের প্রতি উজাড় করে দিয়েছেন।

মায়ের আশীর্বাদে তাঁর এই অপরূপ রূপ আমরা পেয়েছি। শ্রীরামকৃষ্ণের মাত্র চারখানা ছবি আমরা পাই। তুলনায় মায়ের অনেক ছবি পাওয়া গেছে। এর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ আশুতোষ মিত্র এবং গণেনের কাছে। তাঁরাই মায়ের রূপটি ধরে রেখেছেন। এক্ষেত্রেও মায়ের মাতৃত্বই দেখা যায়। লজ্জাপটাবৃতা মা ধ্যান করছেন, পুজো করছেন-সেইসব ছবি সন্তান তুলছেন। মা আপত্তি করছেন না। কেন? মা বলেছিলেন, "ছেলেদের জন্য আমি সব করতে পারি।" ঘটনাটি এইরকম উদ্বোধনে মায়ের একদিন দুপুরে প্রসাদ পাওয়া হয়ে গেছে। দেখা গেল যে একজন সন্তান আসবে কিন্তু তাকে দেওয়ার মতো প্রসাদ নেই। তখন মা আবার একটু অন্ন নিয়ে প্রসাদ করে দিলেন। তা দেখে পরে একজন তাঁকে বলল, "মা, আপনি বামুনের মেয়ে হয়ে দুবার ভাত খেলেন-মুখ এঁটো করলেন?” মা উত্তর দিলেন, "ছেলেদের কল্যাণের জন্য আমি সব করতে পারি।" সন্তানদের জন্য সব করতে পারেন বলেই দুর্লভ সম্পত্তির মতো মায়ের এই ছবিগুলি আমরা পেয়েছি।

তাছাড়া রয়েছে মায়ের লীলা। লীলা না করলে মানুষের পক্ষে অবতারের ভাব চিন্তা করা বড় কঠিন।

মানুষের ধীরে ধীরে আধ্যাত্মিক উন্নতি হবে। মু সেজন্য আমাদের মতো হয়ে তাঁরা নেমে আসেন, এসে মানুষের মতো ব্যবহার করেন। মায়ের লীলায় দেখি অতুলনীয় সেবিকার রূপ। এটিই সর্বব্যাপী শ্রীরামকৃষ্ণের পূজা। অনন্ত মাধুর্য নিয়ে তিনি সর্বব্যাপী শ্রীরামকৃষ্ণের সেবিকারূপে আবির্ভূতা হয়েছেন। তাঁর এইসব লীলা চিন্তা করতে করতে মানুষের ধীরে ধীরে  আধ্যাত্মিক উন্নতি হবে।

২০৪

 ( সংগ্রহীত)

       নিবোধত

     পূজাসংখ্যা--2025

XXXXXXXXXXXXXXX

====================