Sunday, August 25, 2024

23>|| ভক্তির শক্তি ||

  23/1>|| ভক্তির শক্তি  ||

        <----আদ্যনাথ----->

ভক্তির শক্তির অমোঘ টান,

ভক্তির শক্তিতে পাল্টে যায় মান।

ভক্তির শক্তিতে ব্রহ্ম সাকার ও নিরাকার,

ভক্তির শক্তিতে মৃন্ময় হয়ে ওঠে চিন্ময়,

ভক্তির শক্তিতে অন্ন হয় ওঠে প্রসাদ,

ভক্তির আত্মনিবেদনে ক্ষুধার নাম হয় ব্রত,

ভক্তির শক্তিতে জল হয় চরনামৃত,

ভক্তির রসে সংগীত হয় ভক্তিসংগীত।

ভক্তির আকর্ষণের যাত্রাই তীর্থ যাত্রা,

ভক্তির প্রভাবে ঘর হয় মন্দির।

ভক্তির শক্তিতে শিক্ষা হয় জ্ঞান,

ভক্তির শক্তিতে প্রকৃতি  বিজ্ঞান,

ভক্তির শক্তিতে সাধক হয় নির্মল মুক্ত সদানন্দ।

ভক্তির শক্তিতে  বাড়ে চেতনা,

ভক্তির শক্তিতে দূর হয় সকল কামনা,

ভক্তির শক্তিতে দূর হয় মনের বাসনা,

ভক্তির শক্তিতে বাড়ে আত্মবিশ্বাস,

ভক্তির শক্তিতে মনহয় অভয় বাড়ন্ত আশ্বাস,

ভক্তির শক্তিতে মন হয় বিশুদ্ধ উদার,

ভক্তির শক্তিতে মিটেযায় "আমি,আমার",

ভক্তির শক্তিতে করুনাই সৃষ্টির আঁধার,

ভক্তির শক্তির টানে দুরত্ব হয় নিকট ,

ভক্তির শক্তিতে মানুষ হয়ে ওঠে ঈশ্বর,

ভক্তির শক্তিতে জীবে প্রেম বাড়ে নিরন্তর,

ভক্তির শক্তিই সর্বশক্তি জগৎ সংসারে,

ভক্তির শক্তিই আনন্দস্বরূপ ঐশ্বর্য,

ভক্তির শক্তিই 'মা' এর চরণ বন্দনা,

ভক্তির শক্তিই সার্বিক উন্নতির ব্যঞ্জনা,

ভক্তির শক্তি বিহীন হয়না শুভ পরিকল্পনা।

ভক্তির শক্তিই মোক্ষ লাভের কল্পনা,

ভক্তিরই প্রকৃত জ্ঞান লাভের সম্ভবনা।

ভক্তি বিহনে হয়না কোন মহৎ কর্ম যোজন।

ভক্তিতে বাড়ে জ্ঞান,ও জ্ঞানে প্রজ্ঞা

ভক্তি,জ্ঞান ও প্রজ্ঞা একে অপরের পরিপূরক,

ভক্তির উর্দ্ধে পরা ভক্তি ভজন সাধন,

ভক্তির শক্তি  পরাভক্তিই জ্ঞানের আধান,

ভক্তির শক্তি নির্মল সুন্দর সর্বশক্তিমান।

  <--------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>

         23:08;2024;; 11:32:40

===========================


  23/2>|| ভক্তির শক্তি  || 

(আধ্যানত্মিক 10/23)

        <----আদ্যনাথ----->

ভক্তির শক্তিতে বাড়ে অমোঘ শক্তির টান,

ভক্তির শক্তিতে বাড়ে সাধ্য সাধকের জ্ঞান।

ভক্তির শক্তিতে সাকার নিরাকারে হয় লয়,

ভক্তির শক্তিতে মৃন্ময় হয়ে ওঠে চিন্ময়।


ভক্তির শক্তিতে অন্নভোগ হয় প্রসাদ,

ভক্তির শক্তিতে আত্মনিবেদনের নাম ব্রত,

ভক্তির শক্তিতে জল হয় শুদ্ধ পবিত্র,

ভক্তির শক্তিতে সংগীত হয় ভক্তিসংগীত।


ভক্তির আকর্ষণের যাত্রাই তীর্থ যাত্রা,

ভক্তি ও নিষ্ঠার প্রভাবে ঘর হয় মন্দির।

ভক্তির শক্তিতে শিক্ষা হয় জ্ঞান,

ভক্তির শক্তিতে সমগ্র প্রকৃতিই বিজ্ঞান।


ভক্তির শক্তিতে সাধক হয় নির্মল মুক্ত সদানন্দ।

ভক্তির শক্তিতে ক্রমেই বাড়ে চেতনা,

ভক্তির শক্তিতে দূর হয় মনের সকল কামনা,

ভক্তির শক্তিতে দূর হয় মনের সকল বাসনা।


ভক্তির শক্তিতে বাড়ে আত্মবিশ্বাস,

ভক্তির শক্তিতে মনহয় দৃঢ়অভয় বাড়ন্ত আশ্বাস,

ভক্তির শক্তিতে মন হয় শান্ত বিশুদ্ধ উদার,

ভক্তির শক্তিতে মিটেযায় ভাবনার "আমি আমার"।


ভক্তির শক্তিতে করুনাই সৃষ্টির আঁধার,

ভক্তির শক্তির টানে দুরত্ব হয় নিকট ,

ভক্তির শক্তিতে মানুষ হয়ে ওঠে ঈশ্বর,

ভক্তির শক্তিতে জীবে প্রেম বাড়ে নিরন্তর।


ভক্তির শক্তিই সর্বশক্তি জগৎ সংসারে,

ভক্তির শক্তিই আনন্দস্বরূপ ঐশ্বর্য,

ভক্তির শক্তিই 'মা' এর চরণ বন্দনা,

ভক্তির শক্তিই সার্বিক উন্নতির কামনা।


ভক্তির শক্তি বিহীন হয়না শুভ পরিকল্পনা,

ভক্তির শক্তিই মোক্ষ লাভের গুহ্যকল্পনা,

ভক্তির শক্তিই প্রকৃত জ্ঞান লাভের সূচনা,

ভক্তির শক্তি ছাড়া হয়না কোন মহৎ কর্ম যোজনা।


ভক্তির শক্তিতে তে বাড়ে জ্ঞান,ও জ্ঞানে বাড়ে প্রজ্ঞা,

ভক্তির শক্তিতেই অনুভব হয় সৃষ্টির আজ্ঞা, 

ভক্তির উর্দ্ধে পরা ভক্তি ভজন সাধন,

ভক্তির শক্তিই পরাভক্তি ও জ্ঞানের আধান।


ভক্তির শক্তি নির্মল সুন্দর সর্বশক্তিমান,

ভক্তির শক্তিতেই সাধক পায় ঈশ্বরের মান,

ভক্তির শক্তিতেই  হয় সৃষ্টির কল্যাণ,

ভক্তির শক্তিতেই সম্ভব বিশ্ব প্রকৃতির সত্য সন্ধান।

  <--------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>


         23:08;2024;; 11:32:40


===========================



22>রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীকটির অর্থ ।

 22>রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীকটির অর্থ । 

প্রতীক বা  emblem এর অর্থ, সেই সংঘের উদ্দেশ্য কে মানুষের কাছে তুলে ধরে।

রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতীকটি নিজের হাতে এঁকেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ এমেরিকায় এক হোটেল বসে।  হোটেলের টিস্যু পেপারে।

যার সম্পুর্ন অর্থ এমন::---


      স্বামী বিবেকানন্দ উদ্ভাবিত

রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীক::----

তরঙ্গায়িত বিশাল জলরাশি (যেমন সমুদ্রের জলরাশি) মাঝে প্রস্ফুটিত পদ্মফুল,উদীয়মান সূর্য,সমস্ত কিছু সর্পবেষ্টনী।

   প্রতীক চিহ্নের নিচ অংশে লেখা আছে

     ( तन्नोहंसः प्रचोदयात )


প্রতীকের অর্থ::----

চিত্রস্থ তরঙ্গায়িত সলিলরাশি-কর্মের, কমল- ভক্তির এবং উদীয়মান সূর্যটি-জ্ঞানের প্রকাশ। চিত্রগত সর্পবেষ্টনটি -যোগ এবং জাগ্রতা কুণ্ডলিনীশক্তির পরিচায়ক। আর চিত্রমধ্যস্থ হংস প্রতিকৃতিটির অর্থ পরমাত্মা। অতএব কর্ম, ভক্তি, জ্ঞান ও যোগের সহিত সম্মিলিত হলেই পরমাত্মার সন্দর্শন লাভ হয়-চিত্রের ইহাই অর্থ।

=====================

★★>তরঙ্গায়িত জল কর্মের প্রতীক ★★>প্রস্ফুটিত পদ্ম ভক্তির প্রতীক

★★>উদিয়মান সূর্য্য জ্ঞানের প্রতীক

★★>সাপ যোগ ও কুন্ডলিনী শক্তি জাগরণের প্রতীক

★★>রাজহাঁস (পরমহংস) পরমাত্মার প্রতীক

পঞ্চভূতে সমাহিত,যোগাসাধনার মহা শক্তি

কর্ম, ভক্তি, জ্ঞানের মাধ্যমে পরমাত্মাকে লাভ করা।

কর্ম, ভক্তি, জ্ঞানই জীবনের প্রথম ও শেষ কর্তব্য।

প্রতীকটি ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ও বোঝা যাবে প্রতীক টির অন্তর্নিহিত অর্থ। যেটি মনদিয়ে একবার দেখলেই সর্বক্ষনের জন্য মনে গেঁথে রবে।

একটু চিন্তা করতে চাইলেই চোখের সামনে উদিত সূর্যের ন্যায় জ্বল জ্বল করে ফুটে উঠবে অপূর্ব এই প্রতীক চিহ্ন যেটি 

রামকৃষ্ণ  মঠ ও মিশনের প্রতীক,

সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের এই অত্যাশ্চর্য প্রতীক।

যে প্রতীকের ব্যাখ্যা করার সাহস তিনিই করতে পারেন যিনি বেদ বেদান্ত ও সকল শাস্ত্র বিশারদ এবং সর্ব ধর্মের প্রতি সমভাবাপন্ন।

<------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

        22/08/2024;;;01:34:12

               

===========================