22>রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীকটির অর্থ ।
প্রতীক বা emblem এর অর্থ, সেই সংঘের উদ্দেশ্য কে মানুষের কাছে তুলে ধরে।
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতীকটি নিজের হাতে এঁকেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ এমেরিকায় এক হোটেল বসে। হোটেলের টিস্যু পেপারে।
যার সম্পুর্ন অর্থ এমন::---
স্বামী বিবেকানন্দ উদ্ভাবিত
রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীক::----
তরঙ্গায়িত বিশাল জলরাশি (যেমন সমুদ্রের জলরাশি) মাঝে প্রস্ফুটিত পদ্মফুল,উদীয়মান সূর্য,সমস্ত কিছু সর্পবেষ্টনী।
প্রতীক চিহ্নের নিচ অংশে লেখা আছে
( तन्नोहंसः प्रचोदयात )
প্রতীকের অর্থ::----
চিত্রস্থ তরঙ্গায়িত সলিলরাশি-কর্মের, কমল- ভক্তির এবং উদীয়মান সূর্যটি-জ্ঞানের প্রকাশ। চিত্রগত সর্পবেষ্টনটি -যোগ এবং জাগ্রতা কুণ্ডলিনীশক্তির পরিচায়ক। আর চিত্রমধ্যস্থ হংস প্রতিকৃতিটির অর্থ পরমাত্মা। অতএব কর্ম, ভক্তি, জ্ঞান ও যোগের সহিত সম্মিলিত হলেই পরমাত্মার সন্দর্শন লাভ হয়-চিত্রের ইহাই অর্থ।
=====================
★★>তরঙ্গায়িত জল কর্মের প্রতীক ★★>প্রস্ফুটিত পদ্ম ভক্তির প্রতীক
★★>উদিয়মান সূর্য্য জ্ঞানের প্রতীক
★★>সাপ যোগ ও কুন্ডলিনী শক্তি জাগরণের প্রতীক
★★>রাজহাঁস (পরমহংস) পরমাত্মার প্রতীক
পঞ্চভূতে সমাহিত,যোগাসাধনার মহা শক্তি
কর্ম, ভক্তি, জ্ঞানের মাধ্যমে পরমাত্মাকে লাভ করা।
কর্ম, ভক্তি, জ্ঞানই জীবনের প্রথম ও শেষ কর্তব্য।
প্রতীকটি ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ও বোঝা যাবে প্রতীক টির অন্তর্নিহিত অর্থ। যেটি মনদিয়ে একবার দেখলেই সর্বক্ষনের জন্য মনে গেঁথে রবে।
একটু চিন্তা করতে চাইলেই চোখের সামনে উদিত সূর্যের ন্যায় জ্বল জ্বল করে ফুটে উঠবে অপূর্ব এই প্রতীক চিহ্ন যেটি
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতীক,
সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের এই অত্যাশ্চর্য প্রতীক।
যে প্রতীকের ব্যাখ্যা করার সাহস তিনিই করতে পারেন যিনি বেদ বেদান্ত ও সকল শাস্ত্র বিশারদ এবং সর্ব ধর্মের প্রতি সমভাবাপন্ন।
<------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
22/08/2024;;;01:34:12
===========================
No comments:
Post a Comment